শৈশবে মায়ের আঁচল ছেড়ে,
ভরেছিল কুয়াশার রঙ তার জীবনে,
ভরেছিল রুক্ষতা তার বক্ষপটে।
রাস্তার ধুলো-বালি, ট্রাম- বাসের ধোঁয়া-
বছর বারোর সেই ছোটো বালক সবই নিয়েছে চিনে;
পরনে ছেঁড়া জামা, পায়ে নেই জুতো,
“মা তুমি কোথায়?...ফিরে এসো।”
এই বলে আকাশ পানে চেয়ে থাকে সে,
তারা হয়ে থাকবে সবসময় মা বলেছিল তারে।
তার ছোট্ট দুটো চোখে – কত দুঃখ-কষ্ট , কত খিদে,ব্যাথা
সবার ব্যাস্ততার মাঝে খেয়াল করেনি কেউ তার হতাশা।
অল্প ভালোবাসা,স্নেহ চাইছে তার মন
ফিরে পেতে চাইছে তার হারানো জীবন;
সকালে একদিন ঘুমের ঘোরে,
তার মা বলল মাথায় হাত বুলিয়ে-
“বাবা আমার,আমার আঁখির কাজল -ভাল থাকিস
কখন মিথ্যের পথ অবলম্বন যেন না করিস।”
বুঝল না মা’র কথা তার নিরীহ মনটি,
ঘুমে আবার ফিরে পেল তার স্বাপ্নের দেশটি।
সেইদিনের পর তার মা আর আসেনি ফিরে,
রাত হলেই চোখ তার ভিজে যায় কান্নার জলে;
বৈশাখের খাঁ-খাঁ দুপুর বা শীতের হিমেল হাওয়া,
সবই সইতে শিখেছে একলা;
তার প্রশ্নের উত্তর কেউ কি পারবে দিতে?
-কেন এত কঠোর, নিষ্ঠুর সমাজ,
পারবে কেউ তার মাকে ফিরিয়ে আনতে?
তার জীবনে shakespeare, van gough এঁরা সবাই অর্থহীন;
জীবন নদীতে তার নৌকার কান্ডারী ,
বেঁচে থাকার যুদ্ধ লড়ে চলেছে সে দিবা-রাত্রি।

3 comments:
daarun!!
thanks ..but "kandari"spelling ta wrong aache thik ta type korleo ashche na.. :P
কান্ডারী
Post a Comment